করোনায় বাতিল হচ্ছে অর্ডার: পোশাক শিল্পে অশনি সংকেত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:
করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে হঠাৎ করে বড় ধরণের ধাক্কা লেগেছে। সবচেয়ে এর বেশি প্রভাব এসে পড়েছে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের ওপর। বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মিলিয়ে দু’ক্ষেত্রেই করুণ দশা এই খাতে। চীনে শুরু হওয়া করোনায় আমদানি খাতে খানিকটা আঘাত হানলেও মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে রপ্তানিকৃত তৈরি পোশাক খাতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের রফতানি আদেশ ঘন্টায় ঘন্টায় বাতিল হচ্ছে। এই খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, পরিস্থিতি যেভাবে অবনতি হচ্ছে, তাতে এই খাত মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪ কোটি ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, বিদেশি ক্রেতারা ই-মেইল করে রফতানি আদেশ বাতিল করছেন, কেউ স্থগিত করছেন। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন রফতানি আদেশ না দেওয়ার কথা জানাচ্ছেন।
তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র তথ্য বলছে, প্রতি ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্ডার বাতিল হচ্ছে। গত মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি কারখানার ১০৪ মিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত এটি দাঁড়ায় ১৩৩ মিলিয়ন ডলারে।
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, এক কথায় আমরা মরে যাচ্ছি। প্রতিনিয়ত ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের কাছ থেকে চলমান ক্রয়াদেশ স্থগিত ও বাতিলের খবর আসছে। তিনি বলেন, এমন সময়ে অর্ডার বাতিল হচ্ছে যখন সামনে ঈদ। এ অবস্থায় তৈরি পোশাক খাত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বলতে পারছি না। তবে সামনে ভয়াবহ বিপর্যয় আসছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমার পোল্যান্ডের এক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান দু’দফার রফতানি আদেশ বাতিল করেছে। এরমধ্যে একটি আদেশ ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ডলারের। আরেকটি আদেশ ছিল ২ লাখ ডলারের। তিনি জানান, করোনার কারণে এখন প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় রফতানি আদেশ বাতিল বা স্থগিতের মেইল পাচ্ছেন গার্মেন্ট মালিকরা। এ অবস্থায় সরকার যদি আমাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে আমরা মারা পড়বো। উদ্যোক্তারা বলছেন, আমেরিকা বা ইতালির মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ করতে হবে। আর এমনটি হলে তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বেগ পেতে হবে।
তবে এখন পর্যন্ত করোনার কারণে বাংলাদেশের কোনো কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। শ্রমিক ও মালিকরা করোনা আতঙ্কের মধ্যেও কারখানাগুলো চালু রেখেছেন। এমন পরিস্থিতিতে পোশাকের চলমান ক্রয়াদেশ স্থগিত ও বাতিল করার তালিকা বড় হচ্ছে। এই তালিকায় বড় বড় ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। এরমধ্যে সিঅ্যান্ডএ, জারা, পুল অ্যান্ড বেয়ার, বেবি শপ, বø্যাকবেরি, প্রাইমার্ক উল্লেখযোগ্য। খবর বাংলা ট্রিবিউনের
বুধবার নারায়ণগঞ্জের এ ওয়ান পোলার নামে একটি কারখানার ১৫ মিলিয়ন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিলের কথা জানায় হল্যান্ডের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএ। ই-মেইল করে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জানানো হয় রফতানি আদেশ বাতিলের বিষয়টি।
জানা গেছে, এসকোয়্যার নিট কম্পোজিটের ২২ লাখ ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করেছে দু’টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। বাতিল ও স্থগিতাদেশের মধ্যে পড়েছে অ্যাপেক্স হোল্ডিংসের ৪০ লাখ পিস পোশাক। বিটপি গ্রæপের ৪ লাখ ৬৬ হাজার ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। এছাড়া আমান গ্রাফিক্স অ্যান্ড ডিজাইনের ১ লাখ ১৩ হাজার ডলার মূল্যের ৩৯ হাজার পিস পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। আমান নিটিংয়ের ১ লাখ ৯৭ হাজার ডলারের ৪৪ হাজার ৭২৬ পিসের ক্রয়াদেশ স্থগিত হয়েছে। স্কাইলাইন গার্মেন্টসের ৮ লাখ ৫০ হাজার ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। রুমানা ফ্যাশনের ৯০ হাজার পিস পোশাকের ক্রয়াদেশ স্থগিত করেছে দুই ক্রেতা।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও কানাডায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ফ্রান্স ও ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া এখন অন্যান্য দোকানপাট ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ডুলাহাজারায় ত্রাণের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

» চকরিয়ায় বসতঘরে হামলা লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ: মহিলাসহ আহত- ৩

» লামা পৌরসভায় সরকারি খাদ্যশস্য পেল নিম্ন আয়ের মানুষ

» ঈদগাঁওতে মক্কা প্রবাসী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে একশত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» সাবেক ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু আর নেই

» ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলা ছাত্রদলের জীবাণুনাশক স্প্রে, মাস্ক ও সাবান বিতরণ

» তারেক রহমানের নির্দেশে ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন

» তারেক রহমানের নির্দেশে হরিনাকুন্ডুতে ছাত্রদলের জীবাণুনাশক স্প্রে : মসিউর রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা

» সরকারের নির্দেশ মানছেনা চকরিয়া ও ফাইতংয়ের ৩৫ টি ইটভাটা: করোনা ঝুঁকিতে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

» চকরিয়ায় করোনা সচেতনতায় মা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ

উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Desing & Developed BY ZihadIT.Com
,

করোনায় বাতিল হচ্ছে অর্ডার: পোশাক শিল্পে অশনি সংকেত

চট্টগ্রাম ব্যুরো:
করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে হঠাৎ করে বড় ধরণের ধাক্কা লেগেছে। সবচেয়ে এর বেশি প্রভাব এসে পড়েছে তৈরি পোশাক শিল্প খাতের ওপর। বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি মিলিয়ে দু’ক্ষেত্রেই করুণ দশা এই খাতে। চীনে শুরু হওয়া করোনায় আমদানি খাতে খানিকটা আঘাত হানলেও মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে রপ্তানিকৃত তৈরি পোশাক খাতে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য তৈরি পোশাকের রফতানি আদেশ ঘন্টায় ঘন্টায় বাতিল হচ্ছে। এই খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, পরিস্থিতি যেভাবে অবনতি হচ্ছে, তাতে এই খাত মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। ইতোমধ্যে প্রায় ৪ কোটি ডলারের রফতানি আদেশ বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, বিদেশি ক্রেতারা ই-মেইল করে রফতানি আদেশ বাতিল করছেন, কেউ স্থগিত করছেন। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন রফতানি আদেশ না দেওয়ার কথা জানাচ্ছেন।
তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র তথ্য বলছে, প্রতি ২৪ ঘণ্টায় গড়ে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্ডার বাতিল হচ্ছে। গত মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে বুধবার রাত ১০টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি কারখানার ১০৪ মিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া চারটা পর্যন্ত এটি দাঁড়ায় ১৩৩ মিলিয়ন ডলারে।
বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, এক কথায় আমরা মরে যাচ্ছি। প্রতিনিয়ত ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের কাছ থেকে চলমান ক্রয়াদেশ স্থগিত ও বাতিলের খবর আসছে। তিনি বলেন, এমন সময়ে অর্ডার বাতিল হচ্ছে যখন সামনে ঈদ। এ অবস্থায় তৈরি পোশাক খাত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বলতে পারছি না। তবে সামনে ভয়াবহ বিপর্যয় আসছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমার পোল্যান্ডের এক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান দু’দফার রফতানি আদেশ বাতিল করেছে। এরমধ্যে একটি আদেশ ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ডলারের। আরেকটি আদেশ ছিল ২ লাখ ডলারের। তিনি জানান, করোনার কারণে এখন প্রতিদিন, প্রতি ঘণ্টায় রফতানি আদেশ বাতিল বা স্থগিতের মেইল পাচ্ছেন গার্মেন্ট মালিকরা। এ অবস্থায় সরকার যদি আমাদের পাশে না দাঁড়ায় তাহলে আমরা মারা পড়বো। উদ্যোক্তারা বলছেন, আমেরিকা বা ইতালির মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ করতে হবে। আর এমনটি হলে তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াতে বেশ বেগ পেতে হবে।
তবে এখন পর্যন্ত করোনার কারণে বাংলাদেশের কোনো কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। শ্রমিক ও মালিকরা করোনা আতঙ্কের মধ্যেও কারখানাগুলো চালু রেখেছেন। এমন পরিস্থিতিতে পোশাকের চলমান ক্রয়াদেশ স্থগিত ও বাতিল করার তালিকা বড় হচ্ছে। এই তালিকায় বড় বড় ব্র্যান্ড ও ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। এরমধ্যে সিঅ্যান্ডএ, জারা, পুল অ্যান্ড বেয়ার, বেবি শপ, বø্যাকবেরি, প্রাইমার্ক উল্লেখযোগ্য। খবর বাংলা ট্রিবিউনের
বুধবার নারায়ণগঞ্জের এ ওয়ান পোলার নামে একটি কারখানার ১৫ মিলিয়ন ডলারের রফতানি আদেশ বাতিলের কথা জানায় হল্যান্ডের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএ। ই-মেইল করে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জানানো হয় রফতানি আদেশ বাতিলের বিষয়টি।
জানা গেছে, এসকোয়্যার নিট কম্পোজিটের ২২ লাখ ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করেছে দু’টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। বাতিল ও স্থগিতাদেশের মধ্যে পড়েছে অ্যাপেক্স হোল্ডিংসের ৪০ লাখ পিস পোশাক। বিটপি গ্রæপের ৪ লাখ ৬৬ হাজার ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। এছাড়া আমান গ্রাফিক্স অ্যান্ড ডিজাইনের ১ লাখ ১৩ হাজার ডলার মূল্যের ৩৯ হাজার পিস পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। আমান নিটিংয়ের ১ লাখ ৯৭ হাজার ডলারের ৪৪ হাজার ৭২৬ পিসের ক্রয়াদেশ স্থগিত হয়েছে। স্কাইলাইন গার্মেন্টসের ৮ লাখ ৫০ হাজার ডলারের ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। রুমানা ফ্যাশনের ৯০ হাজার পিস পোশাকের ক্রয়াদেশ স্থগিত করেছে দুই ক্রেতা।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও কানাডায় ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ফ্রান্স ও ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। দেশগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া এখন অন্যান্য দোকানপাট ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Design & Developed BY ZahidITLimited