জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম কেন্দ্র : নেই কোলাহল ও উৎসব মুখর পরিবেশ

বশির আলমামুন,চট্টগ্রাম :
করোনা আতংকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম কেন্দ্র জনশুন্য হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে এখানে নেই কোন প্রাণচাঞ্চল্য। কবি, সাহিত্যিক, শিল্পি, কলাকৌশলী, আবৃত্তিকার, প্রবন্ধকার, গীতিকার, সুরকার, উপস্থাপক, নাট্যকার, ছড়াকার, নিত্যশিল্পী, সাংবাদিক সহ সব শ্রেণী পেশার সাংস্কৃকিত ব্যক্তিত্বদের আনাগোনা কমে গেছে। অথচ যেখানে প্রতিদিন শতশত সাংস্কৃতিমনা মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকত শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গন। প্রতিদিন থাকত কোন না কোন অনুস্টানমালা। আর সেখানে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেল কোলাহল মুখর পরিবেশ। কেমন জানি গোমোট বদ্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে শিল্পকলা একাডেমিতে। ১৮ মার্চ (বুধবার) বিকালে নগরীর এম এম আলী সড়কস্থ একাডেমি প্রাঙ্গনে এমনই চিত্র দেখাগেছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে শিল্পকলা একাডেমির প্রধান গেইট বন্ধ। সব ভবনই তালাবদ্ধ। ভেতরে কেউ নাই একবারেই জনশুন্য। উঠোনে হাহাকার বিরাজ করছে। গাছের শুকনো পাতাগুলো উড়ে উড়ে পড়ছে উঠানে। একজন কেয়ারটেকার মাত্র এদিক সেদিক পায়চারি করছে। সব মিলিয়ে নিস্তব্ধ অবস্থা বিরাজ করছে।
গেইটের বাইরে অনেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঘুরা ফেরা করছে। কেউ দ্ইু একজন মিলে আড্ডা দিচ্ছে। তবে তাদের চেহারাতে ও মলিনতা কাজ করছে। তারা জানালেন করোনা আতংকে গত কয়েকদিন ধরে শিল্পকলায় এমন ভাব বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থতির পর তেমন কেউ আসতেছেনা এখানে।
বর্তমানে শিল্পকলা একাডেমিতে একটি মিলনায়তন, একটি কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবন, একটি মহড়া ভবন এবং একটি আর্ট গ্যালারি ভবন রয়েছে। একাডেমির আয়তকার প্রসেনিয়াম মিলনায়তনের মূলমঞ্চের আয়তন চারশত পঞ্চাশ বর্গফুট। এটি উপরে-নিচে তিনশত আসন সম্বলিত দোতলা বিশিষ্ট ভবন। মিলনায়তনের অভ্যন্তরে শিল্পীদের জন্য রয়েছে সাজঘর।
মিলনায়তন ভবনের পাশে রয়েছে তিনতলা কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবন, যার নিচ তলায় কার্যালয় কক্ষ। ২০০০ সালে ভবনটি স্থাপন করা হয়। ভবনের অন্যান্য তলায় রয়েছে ঝংকার, নূপুর, অনুপ্রাস, অন্তরা ও নিসর্গ নামে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শ্রেণিকক্ষ।
কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবনের দক্ষিণ পাশে অনিরুদ্ধ মহড়া ভবন নামে একটি ত্রিতল মহড়া ভবন রয়েছে, যার প্রতি তলায় দুইটি করে কক্ষ। ২০১০ সালে নির্মিত এই ভবনটি সাধারণত নৃত্য, নাট্য, আবৃত্তি ও মূকাভিনয়সহ নানা পরিবেশনা শিল্পের চর্চা ও মহড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মহড়া ভবনের পাশে রয়েছে ত্রিতল আর্ট গ্যালারি ভবন যা ২০০৯ সালে নির্মিত হয়। এই ভবনে সাধারণত যাবতীয় প্রদর্শনীর আয়োজন হয়ে থাকে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন চিত্র গ্যালারি এবং তৃতীয় তলায় রয়েছে পটুয়া কামরুল হাসান চিত্র গ্যালারি। দুইটি চিত্র গ্যালারিতে তিনটি করে কক্ষ রয়েছে।
একাডেমির পূর্ব-উত্তর পাশে রয়েছে “অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চ” একটি মুক্তমঞ্চ। ১৪ ডিমেম্বর ২০০৯ সালে একাডেমি প্রঙ্গণে মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালে এটি পুনঃপরিকল্পনার মাধ্যমে তৎকালীন জেলা প্রশাসক কর্তৃক পুনঃনির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে টেরাকোটার মাধ্যমে একাডেমির মূল ফটকের নকশাঙ্কন করা হয়।
একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা পরিষদে রয়েছেন একজন জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা, একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, একজন কার্যালয় তত্ত¡াবধানকারী এবং আটজন কর্মচারী।
১৯৭৩ সালে “চট্টগ্রাম কলাভবন” প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন চিত্রশিল্পী রশিদ চৌধুরী। একই বছর ২৩ এপ্রিল ফরাসি মনীষী মসিয় অঁদ্রে মাল্‌রো বর্তমান শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে তৎকালীন চট্টগ্রাম কলাভবনের উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম উৎসব ১৯৭৭ উদ্যাপনের উদ্যেশ্যে শিল্প ও সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এবং তৎকালীন জেলা প্রশাশক হাসনাত আবদুল হাইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় “চট্টগ্রাম কলাভবন” নামে একটি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে, বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় কতৃক স্বয়ংক্রিয় নবায়নযোগ্য লীজ হিসাবে প্রদানকৃত একাডেমির বর্তমান স্থানে শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ করা হয়। চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মূলত সঙ্গীত, চারুকলা, নৃত্য, মঞ্চনাটক সহ বিবিধ সাংস্কৃতিক বিষয়ের চর্চা এবং বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

এই একাডেমি জেলাভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি- প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, পরীক্ষা পরিচালনা ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করে থাকে। যার মধ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বাংলা বর্ষ বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান, বসন্ত উৎসব, পৌষ মেলা, লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা, জাতীয় শিশু দিবস, জাতীয় শোক দিবস, রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, নজরুল জন্মজয়ন্তী, বিশ্বসঙ্গীত দিবস, বিশ্ব নাট্য দিবস, আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস, ঋতু ভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাৎসরিক চারুকলা প্রদর্শনী, আবৃত্তি উৎসব, নাট্য উৎসব, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ত্রৈমাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, গুণীজনদের জন্ম-মৃত্যু উদযাপনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাÐ পরিচালনা করে থাকে। প্রতিবছর এই একাডেমিতে বিভিন্ন নাট্যউৎসব আয়োজিত হয়ে থাকে। কিন্তু করোনা আতংকে হঠাৎ সব কার্যক্রম স্তব্দ হয়ে গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আজ পবিত্র শবে বরাত

» রাষ্ট্রপতির কাছে মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন

» কুড়িগ্রামে Vision 22 এর অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ

» শাহজাদপুরে মাটির ট্রাক খাদে পড়ে ১ শ্রমিক নিহত

» কক্সবাজার জেলা লকডাউন ঘোষণা

» ঈদগাহ রিপোর্টার্স সোসাইটির উদ্যোগে খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিল

» চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষায় ৮৮ জনের নেগেটিভ

» করোনায় দেশে আরো ৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৫৪

» চকরিয়ায় করোনা’র চেয়ে আতঙ্ক গুজব ভাইরাস!

» দঃ সাহিত্যিকাপল্লী সমাজ কমিটির উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Desing & Developed BY ZihadIT.Com
,

জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম কেন্দ্র : নেই কোলাহল ও উৎসব মুখর পরিবেশ

বশির আলমামুন,চট্টগ্রাম :
করোনা আতংকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম কেন্দ্র জনশুন্য হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে এখানে নেই কোন প্রাণচাঞ্চল্য। কবি, সাহিত্যিক, শিল্পি, কলাকৌশলী, আবৃত্তিকার, প্রবন্ধকার, গীতিকার, সুরকার, উপস্থাপক, নাট্যকার, ছড়াকার, নিত্যশিল্পী, সাংবাদিক সহ সব শ্রেণী পেশার সাংস্কৃকিত ব্যক্তিত্বদের আনাগোনা কমে গেছে। অথচ যেখানে প্রতিদিন শতশত সাংস্কৃতিমনা মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকত শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গন। প্রতিদিন থাকত কোন না কোন অনুস্টানমালা। আর সেখানে হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেল কোলাহল মুখর পরিবেশ। কেমন জানি গোমোট বদ্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে শিল্পকলা একাডেমিতে। ১৮ মার্চ (বুধবার) বিকালে নগরীর এম এম আলী সড়কস্থ একাডেমি প্রাঙ্গনে এমনই চিত্র দেখাগেছে।
সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে শিল্পকলা একাডেমির প্রধান গেইট বন্ধ। সব ভবনই তালাবদ্ধ। ভেতরে কেউ নাই একবারেই জনশুন্য। উঠোনে হাহাকার বিরাজ করছে। গাছের শুকনো পাতাগুলো উড়ে উড়ে পড়ছে উঠানে। একজন কেয়ারটেকার মাত্র এদিক সেদিক পায়চারি করছে। সব মিলিয়ে নিস্তব্ধ অবস্থা বিরাজ করছে।
গেইটের বাইরে অনেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঘুরা ফেরা করছে। কেউ দ্ইু একজন মিলে আড্ডা দিচ্ছে। তবে তাদের চেহারাতে ও মলিনতা কাজ করছে। তারা জানালেন করোনা আতংকে গত কয়েকদিন ধরে শিল্পকলায় এমন ভাব বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থতির পর তেমন কেউ আসতেছেনা এখানে।
বর্তমানে শিল্পকলা একাডেমিতে একটি মিলনায়তন, একটি কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবন, একটি মহড়া ভবন এবং একটি আর্ট গ্যালারি ভবন রয়েছে। একাডেমির আয়তকার প্রসেনিয়াম মিলনায়তনের মূলমঞ্চের আয়তন চারশত পঞ্চাশ বর্গফুট। এটি উপরে-নিচে তিনশত আসন সম্বলিত দোতলা বিশিষ্ট ভবন। মিলনায়তনের অভ্যন্তরে শিল্পীদের জন্য রয়েছে সাজঘর।
মিলনায়তন ভবনের পাশে রয়েছে তিনতলা কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবন, যার নিচ তলায় কার্যালয় কক্ষ। ২০০০ সালে ভবনটি স্থাপন করা হয়। ভবনের অন্যান্য তলায় রয়েছে ঝংকার, নূপুর, অনুপ্রাস, অন্তরা ও নিসর্গ নামে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শ্রেণিকক্ষ।
কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ ভবনের দক্ষিণ পাশে অনিরুদ্ধ মহড়া ভবন নামে একটি ত্রিতল মহড়া ভবন রয়েছে, যার প্রতি তলায় দুইটি করে কক্ষ। ২০১০ সালে নির্মিত এই ভবনটি সাধারণত নৃত্য, নাট্য, আবৃত্তি ও মূকাভিনয়সহ নানা পরিবেশনা শিল্পের চর্চা ও মহড়ার কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মহড়া ভবনের পাশে রয়েছে ত্রিতল আর্ট গ্যালারি ভবন যা ২০০৯ সালে নির্মিত হয়। এই ভবনে সাধারণত যাবতীয় প্রদর্শনীর আয়োজন হয়ে থাকে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন চিত্র গ্যালারি এবং তৃতীয় তলায় রয়েছে পটুয়া কামরুল হাসান চিত্র গ্যালারি। দুইটি চিত্র গ্যালারিতে তিনটি করে কক্ষ রয়েছে।
একাডেমির পূর্ব-উত্তর পাশে রয়েছে “অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চ” একটি মুক্তমঞ্চ। ১৪ ডিমেম্বর ২০০৯ সালে একাডেমি প্রঙ্গণে মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীকালে ২০১৩ সালে এটি পুনঃপরিকল্পনার মাধ্যমে তৎকালীন জেলা প্রশাসক কর্তৃক পুনঃনির্মাণ করা হয়। ২০১০ সালে টেরাকোটার মাধ্যমে একাডেমির মূল ফটকের নকশাঙ্কন করা হয়।
একাডেমির কার্যক্রম পরিচালনা পরিষদে রয়েছেন একজন জেলা সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা, একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, একজন কার্যালয় তত্ত¡াবধানকারী এবং আটজন কর্মচারী।
১৯৭৩ সালে “চট্টগ্রাম কলাভবন” প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন চিত্রশিল্পী রশিদ চৌধুরী। একই বছর ২৩ এপ্রিল ফরাসি মনীষী মসিয় অঁদ্রে মাল্‌রো বর্তমান শিল্পকলা একাডেমি চত্বরে তৎকালীন চট্টগ্রাম কলাভবনের উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম উৎসব ১৯৭৭ উদ্যাপনের উদ্যেশ্যে শিল্প ও সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এবং তৎকালীন জেলা প্রশাশক হাসনাত আবদুল হাইয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় “চট্টগ্রাম কলাভবন” নামে একটি অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীকালে ১৯৯৫ সালে, বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয় কতৃক স্বয়ংক্রিয় নবায়নযোগ্য লীজ হিসাবে প্রদানকৃত একাডেমির বর্তমান স্থানে শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ করা হয়। চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মূলত সঙ্গীত, চারুকলা, নৃত্য, মঞ্চনাটক সহ বিবিধ সাংস্কৃতিক বিষয়ের চর্চা এবং বিকাশ ঘটানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

এই একাডেমি জেলাভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচি- প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, পরীক্ষা পরিচালনা ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করে থাকে। যার মধ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বাংলা বর্ষ বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান, বসন্ত উৎসব, পৌষ মেলা, লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা, জাতীয় শিশু দিবস, জাতীয় শোক দিবস, রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী, নজরুল জন্মজয়ন্তী, বিশ্বসঙ্গীত দিবস, বিশ্ব নাট্য দিবস, আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস, ঋতু ভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাৎসরিক চারুকলা প্রদর্শনী, আবৃত্তি উৎসব, নাট্য উৎসব, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ত্রৈমাসিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও, গুণীজনদের জন্ম-মৃত্যু উদযাপনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাÐ পরিচালনা করে থাকে। প্রতিবছর এই একাডেমিতে বিভিন্ন নাট্যউৎসব আয়োজিত হয়ে থাকে। কিন্তু করোনা আতংকে হঠাৎ সব কার্যক্রম স্তব্দ হয়ে গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Design & Developed BY ZahidITLimited