চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে আজ উদ্ভোধন হচ্ছে শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প: উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০ কোটি লিটার


বশির আল মামুন চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে আজ উদ্ভোধন হচ্ছে ওয়সার নতুন প্রকল্প শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প। আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করবেন।
প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন প্রকল্প থেকে নগরীতে দৈনিক ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। ওয়াসার কারিগরি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এ প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০ কেটি লিটার।চট্টগ্রামের হালদা নদীর মদুনাঘাট এলাকায় প্রকল্পটি নির্মান করা হয়েছে। এটিসহ হালদায় বর্তমানে ওয়াসার দুটি প্রকল্প রয়েছে। এ দুই প্রকল্প থেকে নগরীতে ১৯ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরে পরিশোধিত পানির যে সংকট রয়েছে, নতুন প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহের মাধ্যমে তার অনেকটাই পুরণ হচ্ছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, ২০১৫ সালে এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু হয়। বিশ্বব্যাংক এ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। কোরিয়ান একটি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে। তিনি বলেন, নগরবাসীর পানির চাহিদা মেঠাটে ও নগরীতে পরিশোধিত পানি সরবরাহ করতে রাঙ্গুনিয়ার ভান্ডালজুরি নামক স্থানে কর্নফুলী নদীতে আরও একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
এর আগে ২০০৮ সালে প্রকল্পটি ইতালির একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার কাজ পায়। কিন্তু ডাকটাইল পাইপ কেনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সরকার ওই প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে দেয়নি। ফলে পুরো প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। চট্টগ্রাম শহরে বিশুদ্ধ পানির ঘাটতি মেটাতে সরকার ২০১০ সাল থেকে প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে পানির চাহিদা প্রায় ৫০ কোটি লিটার। এর মধ্যে হালদা নদীতে স্থাপিত মোহরা পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ৯ কোটি লিটার, রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় কর্ণফুলী নদীতে স্থাপিত শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে দৈনিক ১৪ কোটি লিটার এবং নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে আরও ৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হয়। এর বাইরে মদুনাঘাট শেখ রাসেল পানি শোধনাগার থেকে নতুন করে ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ লাইনে যুক্ত হয়েছে।


চট্টগ্রাম ওয়াসার পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী বলেন, বর্তমানে ওয়াসা নগরীতে দৈনিক ২৭ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি সরবরাহ করছে। নতুন প্রকল্পসহ এ পানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৬ কোটি লিটার। এর বাইরে কর্ণফুলী নদীতে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকায় শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে ২০২২ সালে নগরীতে চাহিদার শতভাগ পানি সরবরাহ করতে পারবে চট্টগ্রাম ওয়াসা।
গতকাল দুপুরে মদুনাঘাট পানি শোধনাগার প্রকল্পে সরেজমিন দেখা যায়, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে এরই মধ্যে নগরীতে পানি সরবরাহ করা শুরু করেছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। সেখানে হালদা থেকে পানি উত্তোলনের পর চারটি ধাপে পানি পরিশোধন করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রকৌশলী ও রসায়নবিদরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী সৌমিত পাল বলেন, পরিশোধিত পানি পরীক্ষা করা হচ্ছে। নতুন এ প্রকল্পের পরিশোধিত পানির কোনো পর্যায়েই ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো ধরনের জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে নগরবাসী না ফুটিয়েই এ পানি পান করতে পারবে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার কারিগরি কর্মকর্তা সুমিত পাল বলেন হালদা নদীর পাড়ে নির্মিত ইনটেক চ্যানেল ও পাম্প স্টেশন এর সাহায্যে দৈনিক ১০ কোটি লিটার পানি নদী হতে পরিশোধনের জন্য উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত পানি রিসিভিং ওয়েলে পাঠানো হচ্ছে। এখানে পানির সাথে কেমিক্যাল এলাম, লাইম, ক্লোরিন ও পলিমার মেশানো হচ্ছে। এভাবে কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি ঋষড়পপঁষধঃড়ৎ চ্যানেলে ৩০ মিনিট প্রবাহের পর পরিশোধনের পরবর্তী ধাপ ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এ প্রবেশ করে এবং ৮০ মিনিট অবস্থান করে।
এখানে পানিতে উপস্থিত কাদা মাটি ঝষঁফমব আকারে ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর তলানি হিসেবে জমা হয় যা স্বয়ংক্রিয় ঝষঁফমব ঈড়ষষবপঃড়ৎ দ্বারা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এরপর ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর পরিশোধিত পানি জধঢ়রফ ঝধহফ ঋরষঃবৎ এ প্রবেশ করে।
জধঢ়রফ ঝধহফ ঋরষঃবৎ এ পরিশোধিত পানি ঈষবধৎ ডবষষ জবংবৎাবৎ এ জমা হচ্ছে। এখানে ক্লোরিন গ্যাস প্রয়োগ এর মাধ্যমে পানিতে উপস্থিত সকল জীবাণু ধ্বংস করা হয়। আর এভাবে দৈনিক ৯ কোটি লিটার পরিশোধিত পানির গুণগত মান প্ল্যান্ট ল্যাবরেটরি এর মাধ্যমে নিশ্চিতকরনের পর চট্রগ্রাম শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর তলানি হিসেবে সংগ্রহিত ঝষঁফমব পরিশোধনের জন্য ঝষঁফমব ঞরপশবহবং এর মাধ্যমে উবধিঃবৎরহম ঋধপরষরঃরবং এ প্রেরণ করা হচ্ছে। এখানে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটিকে ঝষঁফমব ঈধশব এ রূপান্তর করা হচ্ছে যা পরবর্তীতে প্ল্যান্ট এর বাহিরে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
শেখ রাসেল পানি শোধনাগার এ উন্নতমানের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রাংশ সংযোজনের মাধ্যমে এর পর্যবেক্ষণ, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ কাজ সহজীকরণ করা হয়েছে।শেখ রাসেল পানি শোধনাগার এ স্থাপিত আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন ল্যাবরেটরির মাধ্যমে পানির গুণগত মাণ সার্বক্ষনিক নিশ্চিত করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম শহরের পানি সরবরাহ কভারেজ শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। নগরের নতুন নতুন এলাকা পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» ডুলাহাজারায় ত্রাণের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

» চকরিয়ায় বসতঘরে হামলা লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ: মহিলাসহ আহত- ৩

» লামা পৌরসভায় সরকারি খাদ্যশস্য পেল নিম্ন আয়ের মানুষ

» ঈদগাঁওতে মক্কা প্রবাসী ঐক্য কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে একশত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

» সাবেক ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু আর নেই

» ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলা ছাত্রদলের জীবাণুনাশক স্প্রে, মাস্ক ও সাবান বিতরণ

» তারেক রহমানের নির্দেশে ঝিনাইদহ জেলা যুবদলের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন

» তারেক রহমানের নির্দেশে হরিনাকুন্ডুতে ছাত্রদলের জীবাণুনাশক স্প্রে : মসিউর রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা

» সরকারের নির্দেশ মানছেনা চকরিয়া ও ফাইতংয়ের ৩৫ টি ইটভাটা: করোনা ঝুঁকিতে কাজ করছে ১০ হাজার শ্রমিক

» চকরিয়ায় করোনা সচেতনতায় মা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের উদ্যোগে মাস্ক বিতরণ

উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Desing & Developed BY ZihadIT.Com
,

চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে আজ উদ্ভোধন হচ্ছে শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প: উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০ কোটি লিটার


বশির আল মামুন চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রামের মদুনাঘাটে আজ উদ্ভোধন হচ্ছে ওয়সার নতুন প্রকল্প শেখ রাসেল পানি শোধনাগার প্রকল্প। আজ রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এটির উদ্বোধন করবেন।
প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন প্রকল্প থেকে নগরীতে দৈনিক ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। ওয়াসার কারিগরি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন এ প্রকল্পের উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১০ কেটি লিটার।চট্টগ্রামের হালদা নদীর মদুনাঘাট এলাকায় প্রকল্পটি নির্মান করা হয়েছে। এটিসহ হালদায় বর্তমানে ওয়াসার দুটি প্রকল্প রয়েছে। এ দুই প্রকল্প থেকে নগরীতে ১৯ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরে পরিশোধিত পানির যে সংকট রয়েছে, নতুন প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহের মাধ্যমে তার অনেকটাই পুরণ হচ্ছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থপনা পরিচালক প্রকৌশলী একেএম ফজলুল্লাহ বলেন, ২০১৫ সালে এ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ নতুন করে শুরু হয়। বিশ্বব্যাংক এ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে। কোরিয়ান একটি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে। তিনি বলেন, নগরবাসীর পানির চাহিদা মেঠাটে ও নগরীতে পরিশোধিত পানি সরবরাহ করতে রাঙ্গুনিয়ার ভান্ডালজুরি নামক স্থানে কর্নফুলী নদীতে আরও একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
এর আগে ২০০৮ সালে প্রকল্পটি ইতালির একটি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার কাজ পায়। কিন্তু ডাকটাইল পাইপ কেনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সরকার ওই প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে দেয়নি। ফলে পুরো প্রকল্পটি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। চট্টগ্রাম শহরে বিশুদ্ধ পানির ঘাটতি মেটাতে সরকার ২০১০ সাল থেকে প্রকল্পটি নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করে।
বর্তমানে চট্টগ্রাম শহরে পানির চাহিদা প্রায় ৫০ কোটি লিটার। এর মধ্যে হালদা নদীতে স্থাপিত মোহরা পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে প্রতিদিন ৯ কোটি লিটার, রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় কর্ণফুলী নদীতে স্থাপিত শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার প্রকল্প থেকে দৈনিক ১৪ কোটি লিটার এবং নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে আরও ৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হয়। এর বাইরে মদুনাঘাট শেখ রাসেল পানি শোধনাগার থেকে নতুন করে ৯ কোটি লিটার পানি সরবরাহ লাইনে যুক্ত হয়েছে।


চট্টগ্রাম ওয়াসার পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী বলেন, বর্তমানে ওয়াসা নগরীতে দৈনিক ২৭ কোটি লিটার পরিশোধিত পানি সরবরাহ করছে। নতুন প্রকল্পসহ এ পানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৬ কোটি লিটার। এর বাইরে কর্ণফুলী নদীতে রাঙ্গুনিয়ার পোমরা এলাকায় শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে ২০২২ সালে নগরীতে চাহিদার শতভাগ পানি সরবরাহ করতে পারবে চট্টগ্রাম ওয়াসা।
গতকাল দুপুরে মদুনাঘাট পানি শোধনাগার প্রকল্পে সরেজমিন দেখা যায়, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে এরই মধ্যে নগরীতে পানি সরবরাহ করা শুরু করেছে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ। সেখানে হালদা থেকে পানি উত্তোলনের পর চারটি ধাপে পানি পরিশোধন করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রকৌশলী ও রসায়নবিদরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী সৌমিত পাল বলেন, পরিশোধিত পানি পরীক্ষা করা হচ্ছে। নতুন এ প্রকল্পের পরিশোধিত পানির কোনো পর্যায়েই ব্যাকটেরিয়া বা অন্য কোনো ধরনের জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে নগরবাসী না ফুটিয়েই এ পানি পান করতে পারবে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার কারিগরি কর্মকর্তা সুমিত পাল বলেন হালদা নদীর পাড়ে নির্মিত ইনটেক চ্যানেল ও পাম্প স্টেশন এর সাহায্যে দৈনিক ১০ কোটি লিটার পানি নদী হতে পরিশোধনের জন্য উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলিত পানি রিসিভিং ওয়েলে পাঠানো হচ্ছে। এখানে পানির সাথে কেমিক্যাল এলাম, লাইম, ক্লোরিন ও পলিমার মেশানো হচ্ছে। এভাবে কেমিক্যাল মিশ্রিত পানি ঋষড়পপঁষধঃড়ৎ চ্যানেলে ৩০ মিনিট প্রবাহের পর পরিশোধনের পরবর্তী ধাপ ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এ প্রবেশ করে এবং ৮০ মিনিট অবস্থান করে।
এখানে পানিতে উপস্থিত কাদা মাটি ঝষঁফমব আকারে ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর তলানি হিসেবে জমা হয় যা স্বয়ংক্রিয় ঝষঁফমব ঈড়ষষবপঃড়ৎ দ্বারা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এরপর ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর পরিশোধিত পানি জধঢ়রফ ঝধহফ ঋরষঃবৎ এ প্রবেশ করে।
জধঢ়রফ ঝধহফ ঋরষঃবৎ এ পরিশোধিত পানি ঈষবধৎ ডবষষ জবংবৎাবৎ এ জমা হচ্ছে। এখানে ক্লোরিন গ্যাস প্রয়োগ এর মাধ্যমে পানিতে উপস্থিত সকল জীবাণু ধ্বংস করা হয়। আর এভাবে দৈনিক ৯ কোটি লিটার পরিশোধিত পানির গুণগত মান প্ল্যান্ট ল্যাবরেটরি এর মাধ্যমে নিশ্চিতকরনের পর চট্রগ্রাম শহরে সরবরাহ করা হচ্ছে।
ঈষধৎরভরবৎ ইউনিট এর তলানি হিসেবে সংগ্রহিত ঝষঁফমব পরিশোধনের জন্য ঝষঁফমব ঞরপশবহবং এর মাধ্যমে উবধিঃবৎরহম ঋধপরষরঃরবং এ প্রেরণ করা হচ্ছে। এখানে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটিকে ঝষঁফমব ঈধশব এ রূপান্তর করা হচ্ছে যা পরবর্তীতে প্ল্যান্ট এর বাহিরে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।
শেখ রাসেল পানি শোধনাগার এ উন্নতমানের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রাংশ সংযোজনের মাধ্যমে এর পর্যবেক্ষণ, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ কাজ সহজীকরণ করা হয়েছে।শেখ রাসেল পানি শোধনাগার এ স্থাপিত আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন ল্যাবরেটরির মাধ্যমে পানির গুণগত মাণ সার্বক্ষনিক নিশ্চিত করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ায় চট্টগ্রাম শহরের পানি সরবরাহ কভারেজ শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। নগরের নতুন নতুন এলাকা পানি সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



উপদেষ্টা:নজরুল ইসলাম রানা
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মোস্তফা কামাল
নির্বাহী সম্পাদক :মো:রফিক উদ্দিন লিটন
বার্তা সম্পাদক :নিজাম উদ্দিন

অফিস: ১৫০ নাহার ম্যানশন, ৬ষ্ঠ তলা,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,মতিঝিল ঢাকা।
মোবাইল :০১৫১৬১৭৭৩৮৫
কক্সবাজার অফিস :
সিফা ম্যানশন,বাস ষ্টেশন ঈদগাঁও, কক্সবাজার সদর।
মেইল:bddainik@gmail.com
মোবাইল :০১৮৫১২০০৭৯০/০১৬১০১১৭৯৭২

Design & Developed BY ZahidITLimited