এটা কি খেলার মাঠ? নাকি জলাশয়!!

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

গত কদিন আগেই একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রান,সেই সুখের মাতাম এখনো বয়ে চলছে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে।সেই থেকে চকরিয়ার স্কুল শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অবিভাভকের প্রাণের দাবী প্রতিটি স্কুল আঙ্গিনায় গড়ে উঠুক খেলার মাঠ।আর সেই জায়গায় চকরিয়া উপজেলার বয়েজ স্কুল ব্রিটিশ প্রিরীয়ডে গড়ে উঠা চকরিয়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠটি ছবির দিকে তাকালে নিশ্চই অবাল বৃদ্ধ বণিতা কারোই বুঝতে বাকি রইবেনা আসলে কি খেলার মাঠ নাকি কোন জলাশয়।পাঠকবৃন্দ যাই মনে করেন না কেন প্রকৃতঅর্থে চকরিয়া সরকারি হাই-স্কুলের খেলার মাঠ। যেই স্কুলমাঠে অতীতে বসত উপজেলার সেরা ফুটবল আসর থেকে শুরু করে দেশের সরকার প্রধানের বেশ কয়টি জনসভার সভাস্থল।কিন্তুু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রুদ্ধ হওয়া, মাঠের পরিচর্যা ও উপযুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমন অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে।ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী চকরিয়া সরকারী পাইলট হাই স্কুলের মাঠটি। এই স্কুলের অবস্থান বর্তমানে চকরিয়া পৌরশহরের মূল কেন্দ্র ২নং ওয়ার্ডে।

স্থানীয় জনসাধারণ বলেন,চকরিয়া সরকারী পাইলট হাই স্কুলের মাঠটি সবুজ ঘাসে ভরা আচ্ছাদিত। যে ছবিটি দেখছেন,তবে ঘাসের নিচে মাটি নয়; আছে দুফুটের মতো পানি। এক কথায় এটি এখন একটি ডোবা বা জলাশয়। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রুদ্ধ হওয়া, মাঠের পরিচর্যা ও উপযুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমন অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে।
এক সময় এ মাঠে বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে; টুর্নামেন্টে সাব্বিরের মতো জাতীয় ফুটবলাররা খেলেছে। এখানে চকরিয়ার স্কুল-জোনের ফুটবল আসর বসতো; এখন ফুটবল মৌসুমে এ স্কুলকে অন্য স্কুলের মাঠে গিয়ে খেলতে হয়।
কিশোর ও যুব সমাজকে অন্ধকার গুহা,টেলভিশনের পর্দা ও মোবাইল স্ক্রিন থেকে স্বাস্থ্যকর পথে টেনে নিয়ে আসতে মাঠের (খেলাধুলার) কোন বিকল্প নেই। শুধু মাঠ হারিয়ে যাচ্ছে না; হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের যুব শক্তি। জাতীয় মানব সম্পদের কাতারে যোগ হচ্ছে শারীরিক-মানসিক পঙ্গু নাগরিক।
‘চকরিয়ার যোগ্য প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজ’ এগিয়ে আসলে আমরা আমাদের সন্তানের জন্য আলোর পথ উন্মুক্ত করার প্রয়াস ঘটবে।
গত কদিন আগেই একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রাণ খসে গেল তখনো কক্সবাজার জেলার সর্ব্বোচ্ছ প্রশাসন ড়ি সি সাহেব ও নির্দেশ দিয়েছিলেন মাঠ ভরাটের জন্য,তারপরও কোন কাজ এই পর্যন্ত পরিলক্ষীত হয় নি।তাই সচেতন মহলের প্রাণের দাবী দ্রুত মাঠ সংস্কার ও খেলার উপযোগী স্টেড়িয়ামের জোর দাবী।
এ বিষয়ে চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, পৌর শহরের মূল বাণিজ্যক কেন্দ্রে ২নং ওয়ার্ডের অবস্থান। তৎমধ্যে এবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ ৭/৮অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।তবে চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ছাড়া আর কোথাও পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই।ইতিপূর্বে একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে গ্রামার স্কুলের শিক্ষার্থী বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রাণ খসে গেল। সেই থেকে উপজেলার মাসিক বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি।উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় আশ্বস্থ করেছিল কিন্তুু অদ্যবদি কোন কাজের দেখা না মেলায় ছাত্র-ছাত্রীসহ অবিভাভক মহল সংকীর্ণ প্রকাশ করেন কবে নাগাদ আমরা এবং আমাদের ছেলেমেয়ে খেলাদুলার উন্মোক্ত পরিবেশ ফিরে পাবে।তাই আমি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে বিষয়টি আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» জাহানারা মাহবুব এর কবিতা

» নবাগত অফিসার ইনচার্জের সাথে বাংলাদেশ অটো বাইক শ্রমিক কল্যাণ সোসাইটি জেলা নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময়

» রংপুরে পুলিশ-গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায়, ৫ পুলিশ সদস্য ক্লোজড

» ভারতীয় কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী বাংলাদেশের বিজিবির হাতে আটক

» বার্সায় মেসির ১৫ বছর

» বিএনপি সরকারের রেল বন্ধের সিদ্ধান্ত ছিল দেশের জন্য আত্মঘাতী : প্রধানমন্ত্রী

» রাউজান উত্তর গুজরা জাগৃতি সংঘের বিজয়া সম্মেলন ও সঙ্গীতাঞ্জলি সম্পন্ন

» অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধিতে বিচার বিভাগের দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি অপরিহার্য

» কক্সবাজার জেলা শ্রমিক লীগের বর্ধিত জরুরী সভা আহ্বান

» কক্সবাজার এলও শাখায় ৫ দালাল আটক!

সম্পাদক: অমিত চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ শিলু পারভেজ
আন্তর্জাতিক সম্পাদক: এস এম মেহেদী

প্রধান কার্যালয়ঃ কালিয়াকৈর, গাজীপুর, বাংলাদেশ।

শাখা অফিসঃ  গোড়াই , মির্জাপুর , টাংগাইল, বাংলাদেশ ।

Mob: 01711113657,01611117887 bangladeshdainik@gmail.com

www.bangladeshdainik.com

Desing & Developed BY ZihadIT.Com
,

এটা কি খেলার মাঠ? নাকি জলাশয়!!

মোঃ নাজমুল সাঈদ সোহেল, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ

গত কদিন আগেই একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রান,সেই সুখের মাতাম এখনো বয়ে চলছে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে।সেই থেকে চকরিয়ার স্কুল শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অবিভাভকের প্রাণের দাবী প্রতিটি স্কুল আঙ্গিনায় গড়ে উঠুক খেলার মাঠ।আর সেই জায়গায় চকরিয়া উপজেলার বয়েজ স্কুল ব্রিটিশ প্রিরীয়ডে গড়ে উঠা চকরিয়া সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠটি ছবির দিকে তাকালে নিশ্চই অবাল বৃদ্ধ বণিতা কারোই বুঝতে বাকি রইবেনা আসলে কি খেলার মাঠ নাকি কোন জলাশয়।পাঠকবৃন্দ যাই মনে করেন না কেন প্রকৃতঅর্থে চকরিয়া সরকারি হাই-স্কুলের খেলার মাঠ। যেই স্কুলমাঠে অতীতে বসত উপজেলার সেরা ফুটবল আসর থেকে শুরু করে দেশের সরকার প্রধানের বেশ কয়টি জনসভার সভাস্থল।কিন্তুু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রুদ্ধ হওয়া, মাঠের পরিচর্যা ও উপযুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমন অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে।ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী চকরিয়া সরকারী পাইলট হাই স্কুলের মাঠটি। এই স্কুলের অবস্থান বর্তমানে চকরিয়া পৌরশহরের মূল কেন্দ্র ২নং ওয়ার্ডে।

স্থানীয় জনসাধারণ বলেন,চকরিয়া সরকারী পাইলট হাই স্কুলের মাঠটি সবুজ ঘাসে ভরা আচ্ছাদিত। যে ছবিটি দেখছেন,তবে ঘাসের নিচে মাটি নয়; আছে দুফুটের মতো পানি। এক কথায় এটি এখন একটি ডোবা বা জলাশয়। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা রুদ্ধ হওয়া, মাঠের পরিচর্যা ও উপযুক্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এমন অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে।
এক সময় এ মাঠে বড় বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে; টুর্নামেন্টে সাব্বিরের মতো জাতীয় ফুটবলাররা খেলেছে। এখানে চকরিয়ার স্কুল-জোনের ফুটবল আসর বসতো; এখন ফুটবল মৌসুমে এ স্কুলকে অন্য স্কুলের মাঠে গিয়ে খেলতে হয়।
কিশোর ও যুব সমাজকে অন্ধকার গুহা,টেলভিশনের পর্দা ও মোবাইল স্ক্রিন থেকে স্বাস্থ্যকর পথে টেনে নিয়ে আসতে মাঠের (খেলাধুলার) কোন বিকল্প নেই। শুধু মাঠ হারিয়ে যাচ্ছে না; হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের যুব শক্তি। জাতীয় মানব সম্পদের কাতারে যোগ হচ্ছে শারীরিক-মানসিক পঙ্গু নাগরিক।
‘চকরিয়ার যোগ্য প্রশাসন ও সচেতন নাগরিক সমাজ’ এগিয়ে আসলে আমরা আমাদের সন্তানের জন্য আলোর পথ উন্মুক্ত করার প্রয়াস ঘটবে।
গত কদিন আগেই একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রাণ খসে গেল তখনো কক্সবাজার জেলার সর্ব্বোচ্ছ প্রশাসন ড়ি সি সাহেব ও নির্দেশ দিয়েছিলেন মাঠ ভরাটের জন্য,তারপরও কোন কাজ এই পর্যন্ত পরিলক্ষীত হয় নি।তাই সচেতন মহলের প্রাণের দাবী দ্রুত মাঠ সংস্কার ও খেলার উপযোগী স্টেড়িয়ামের জোর দাবী।
এ বিষয়ে চকরিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল করিম বলেন, পৌর শহরের মূল বাণিজ্যক কেন্দ্রে ২নং ওয়ার্ডের অবস্থান। তৎমধ্যে এবতেদায়ী মাদ্রাসাসহ ৭/৮অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।তবে চকরিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ছাড়া আর কোথাও পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই।ইতিপূর্বে একটি খেলার মাঠের অভাবে নদীর পাশে খেলতে গিয়ে গ্রামার স্কুলের শিক্ষার্থী বাবা-মায়ের বুক খালি করে অকালে ঝরে গেল ৫ টি তাজা প্রাণ খসে গেল। সেই থেকে উপজেলার মাসিক বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করেছি।উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় আশ্বস্থ করেছিল কিন্তুু অদ্যবদি কোন কাজের দেখা না মেলায় ছাত্র-ছাত্রীসহ অবিভাভক মহল সংকীর্ণ প্রকাশ করেন কবে নাগাদ আমরা এবং আমাদের ছেলেমেয়ে খেলাদুলার উন্মোক্ত পরিবেশ ফিরে পাবে।তাই আমি উপজেলা প্রশাসনের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে বিষয়টি আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মাদক বিরোধী ও সমাজকল্যান মূলক সংগঠন ড্রীমক্লাবের সাথে যুক্ত হন

সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



সম্পাদক: অমিত চৌধুরী
নির্বাহী সম্পাদক: সেলিম হোসেন
বার্তা সম্পাদক: মোঃ শিলু পারভেজ
আন্তর্জাতিক সম্পাদক: এস এম মেহেদী

প্রধান কার্যালয়ঃ কালিয়াকৈর, গাজীপুর, বাংলাদেশ।

শাখা অফিসঃ  গোড়াই , মির্জাপুর , টাংগাইল, বাংলাদেশ ।

Mob: 01711113657,01611117887 bangladeshdainik@gmail.com

www.bangladeshdainik.com

Design & Developed BY ZahidITLimited